স্বপ্নের পদ্মা সেতু ও বাংলাদেশ

খুলে যাচ্ছে অপার সম্ভাবনা দূয়ার। দক্ষিণ -পশ্চিম অঞ্চলের জনগনের দীর্ঘদিনের বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা বহুমূখীর সেতুর কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এ সেতু নির্মাণে মধ্য দিয়ে ঢাকার সাথে দক্ষিণ -পশ্চিম অঞ্চলের সুদৃঢ় ও গভীর বন্ধন তৈরী হবে যা আমাদের অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পদ্মা সেতু করা পরিকল্পনা প্রথম আলোচনা করা হয়েছিল ১৯৯৭ এবং প্রাক সম্ভবনা যাচাই করা হয় ১৯৯৮-১৯৯৯ সালে। পদ্মা সেতুর ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করে ৪ জুলাই ২০০১ এবং কাজ শুরু ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে, তাছাড়া মূল সেতুর নির্মাণ কাজ ও নদীশাসন শুরু ১২ ডিসেম্বর ২০১৫। সেতু নির্মাণে ঠিকাদারি হিসেবে কাজ পেয়েছে, চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন।
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিমি এবং প্রস্থ ১৮.১০ মি। পাঁচটি প্যাকেজের মাধ্যমে পদ্মা বহুমুখীর সেতু কাজ সম্পাদন হবে- মূল সেতু, নদীশাসন, জাজিরা ও মাওয়া সংযোগ সড়ক ফ্যাসিলিটিজ এবং সার্ভিস এরিয়া। পদ্মা সেতু নির্মিত হলে দেশের ২১ জেলারর সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।
নদী শাসন হবে দুই পাড়ের ১২ কিমি এলাকায়। সেতুর পিলার সংখ্যা ৪২ টি ( নদীর মধ্যে ৪০ টি) এবং মোট পাইলিং হবে ২৬৪ টি। নির্মিত হলে এটা হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সেতু যেখানে এক সেতুতে বাস ও রেল যোগাযোগ থাকবে। মূলত এ সেতু দ্বিতল হবে।
২০১৮ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর কাজ শুরুতে ২১৩০০ টি যানবাহন চলাচল করতে পারবে তবে পর্যায়ক্রমে ২০৪০ সালে ৪৫০০০ পর্যন্ত যানবাহন চলবে। এ বৃহত্তম সেতুটি বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে যা বাংলাদেশে বড় প্রকল্পের মধ্যে প্রথম।
পদ্মা সেতু নিমার্ণে সাথে ৮০০০ জনশক্তি কাজ করছে এর মধ্যে একমাত্র মহিলা প্রকোশলী- ইশরাত জাহান ঈশি। এ সেতু নিমার্ণে ব্যয় হবে ২৮৭৯৩.৩৯ কোটি টাকা।
গ্যাস, বিদ্যুৎ, অপটিকাল ফাইবার লাইন পরিবহণ সুবিধা থাকবে। তাছাড়া দারিদ্র্যতা কমবে, কর্মসংস্থান বাড়বে। দেশের অর্থনীতিতে জিডিপি -.৫৬ বৃদ্ধি পাবে ও দারিদ্র্যতা ০.৮% কমবে। ঢাকা সাথে সংযোগ জেলা গুলোর যাতায়াত খরচ এবং সময় কম লাগবে। বিশেষকরে দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চালেট কৃষি ও শিল্পের ব্যাপক বিস্তার লাভ করবে এবং কৃষকগোষ্ঠী ও ব্যবসায়ীরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে G
.
Rubel Hasan

Add Comment

Required fields are marked *. Your email address will not be published.

20 − 5 =