লোকসাহিত্য

বাংলা সাহিত্য
☆….লোকসাহিত্য….☆
Mohsina Nazila
………………..­………………..
আবহমান কাল থেকে জনসাধারণের মুখেমুখে যে সাহিত্যের সৃষ্টি তাকে লোকসাহিত্য বলে। এ সাহিত্যে প্রধানত পল্লীবাংলার অশিক্ষিত জনগোষ্ঠী অবদান রেখেছে। এদের সাধারণত ‘বয়াতি’ বলা হয়।
………..
→ বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য লোকসাহিত্য গবেষক – মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন, ড. আশরাফ সিদ্দিকী ও ড. মাযহারুল ইসলাম।
→ লোকসাহিত্য বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ – হারামনি (মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন), প্রবাদ সংগ্রহে (সুনীল কুমার), কবি পাগলা কানাই (ড. মাযহারুল ইসলাম)।
→ লোকসাহিত্যের শাখাগুলো হচ্ছে- ছড়া, প্রবাদ –প্রবচন, ধাঁধাঁ, গীতিকা, লোককথা, লোকসংগীত।
→ লোকসাহিত্যের শক্তিশালী শাখা – ছড়া। ছড়া সাধারণত ‘স্বরবৃত্ত’ ছন্দে লেখা হয়।
→ গীতিকা তিন প্রকার – নাথ গীথিকা, মৈমনসিংহ গীতিকা, পূর্ববঙ্গ গীতিকা।
→ একটিমাত্র ঐতিহাসিক ঘটনা (রাজা গোপীচাঁদের সন্ন্যাস গ্রহণ) অবলম্বনে রচিত – নাথ গীতিকা।
→ ১৮৭৮ সালে রংপুর থেকে স্যার জর্জ গ্রিয়ার্সন কর্তৃক সংগৃহীত গীতিকার নাম – মানিক রাজার গান।
→ ‘গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাস’ গ্রন্থের রচয়িতা – শুকুর মহম্মদ।
→ মৈমনসিংহ গীতিকায় – ১০ টি গীতিকা রয়েছে।
→ মৈমনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেন – চন্দ্রকুমার দে (নেত্রকোনার আইথর গ্রামের অধিবাসী)।
→ চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত পালাগানগুলো প্রথম প্রকাশিত হয় – ময়মনসিংহের ‘সৌরভ’ পত্রিকায়।
→ মৈমনসিংহ গীতিকা অনূদিত হয়েছে – ২৩ টি ভাষায়।
→ মৈমনসিংহ গীতিকার ‘দস্যু কেনারামের পালা’ ব্যতীত সবগুলো গীতিকার বিষয়বস্তু – নরনারীর লৌকিক প্রেম।
→ ‘মহুয়া’ পালাটির রচয়িতা – দ্বিজ কানাই, সংগ্রাহক – পল্লীকবি জসীম উদ্দীন।
→ পল্লীবাংলার পালাগানগুলো কাব্যে রূপায়িত হলে বলে – গীতিকা। গদ্যে রূপায়িত হলে বলে – লোককথা বা লোককাহিনী।
→ লোককথা তিন প্রকার – রূপকথা, উপকথা, ব্রতকথা।
→ দক্ষিণারঞ্জন মিত্র সম্পাদিত ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ একটি – রূপকথা।
সূত্র : শীকর বাংলা সাহিত্য।

Add Comment

Required fields are marked *. Your email address will not be published.

4 × two =