বাংলা সাহিত্যের ছন্দ

বাংলা ছন্দ প্রধানত তিন প্রকার যথা: স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত।
তাছাড়া মনে রাখবেনঃ
————————-
পয়ার ছন্দে- অন্ত্যমিল থাকে।
অমিত্রাক্ষর- অন্ত্যমিল নেই।
স্বরবৃত্ত ছন্দকে লৌকিক ছন্দ বলে।
মাত্রাবৃত্ত ছন্দকে ধ্বনির প্রধান ছন্দ বলা হয়।
অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে তান প্রধান ছন্দ বলে।
ছড়া- স্বরবৃত্ত ছন্দে রচিত হয়।
ছন্দের প্রবর্তকঃ
——————
অমিত্রাক্ষর-মাইকেল মধুসূদন দত্ত
স্বরাক্ষরিক ছন্দের প্রর্বতক করেন-সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
গদ্য ছন্দের প্রবর্তন করেন-সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
মুক্তক ছন্দের প্রবর্তন করেন-কাজী নজরুল ইসলাম।
সমিল মুক্তক ছন্দের প্রবর্তন করেন- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
——————————————-
কবি উপাধিঃ
—————
ছন্দের যাদুকর বলা হয় == সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে।
ছান্দসিক কবি বলা হয় == কবি আব্দুল কাদিরকে।
অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত:
—————————–
১। তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
২। মেঘনাদবধ কাব্য- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
৩। পদ্মাবতী(দ্বিতীয় অঙ্ক)- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
৪। বীরাঙ্গনা কাব্য- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত:
—————————
১। বঙ্গভাষা- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
২। তাহারেই পড়ে মনে- সুফিয়া কামাল
৩। একটি ফটোগ্রাফ(মুক্ত অক্ষরবৃত্ত)- শামসুর রহমান
৪। বাংলাদেশ- অমিয় চক্রবর্তী
মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত:
————————-
১। চর্যাপদ- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী(আবিষ্কারক)
২। আঠারো বছর বয়স- সুকান্ত ভট্টাচার্য
৩। সোনার তরী- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৪। পাঞ্জেরী- ফররুখ আহমদ
৫। জীবন বন্দনা- কাজী নজরুল ইসলাম
৬। কবর- জসীমউদ্দিন
স্বরবৃত্তে ছন্দে রচিত:
————————-
১। বাংলা আমার- কায়কোবাদ
মিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত:
১। ব্রজাঙ্গনা কাব্য- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
মিত্রাক্ষর ও অমিত্রাক্ষর উভয় ছন্দে রচিত:
১। চতুর্দশপদী কবিতাবলী- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
গদ্যছন্দে রচিত:
১। আমার পূর্ব বাংলা- সৈয়দ আলী আহসান
কৃতজ্ঞতা >> Jafar Iqbal Ansary ভাই

Add Comment

Required fields are marked *. Your email address will not be published.

16 − 7 =