বাংলা সাহিত্যের কিছু আলোচিত উদ্ধৃতি ও রচয়িতা

o “প্রণমিয়া পাটুনী কহিল জোর হাতে আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে” —– অন্নদামঙ্গল কাব্য (ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর)।

o “মানুষ মরে গেলে পচে যায় ,বেঁচে থাকলে বদলায়…” ——– রক্তাক্ত প্রান্তর,মুনির চৌধুরী।

o ‘অভাগা যদ্যপি চায় সাগর শুকা য়ে যায়’ ———- মুকুন্দরাম।

o সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন/হউক দূর অকল্যাণ সফল অশোভন।’ —————-শেখ ফজলল করিম।

o “আমারে নিবা মাঝি লগে???…” পদ্মা নদীর মাঝি” ———–মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।

o ‘যে জন দিবসে মনের হরষে জালায় মোমের বাতি’ ——(সদ্ভাব শতক)- কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।

o ‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল।”————– মদনমোহন তর্কালঙ্কার।

o ‘সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালী করে মানুষ করনি।’——– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

o ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে’— রঙ্গলাল মুখপাধ্যায়।

o ‘চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে?”—————– কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।

o ‘তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু আর আমি জাগিব না কোলাহল করি সারা দিনমান কারো ধ্যান ভাঙিব না।’————- কাজী নজরুলর ইসলাম।

o ‘কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর; মানুষের মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর।—————- শেখ ফজলল করিম।

o ‘যুদ্ধ মানে শত্রু শত্রু খেলা, যুদ্ধ মানেই আমার প্রতি তোমার অবহেলা’————— নির্মলেন্দু গুন।

o ‘আমার দেশের পথের ধুলা খাটি সোনার চাইতে খাঁটি’—————— সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।

o ‘আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।’———————— শামসুর রাহমান।

o ‘বিপদে মোরে রক্ষা কর এ নহে মোর প্রার্থনা বিপদে আমি না যেন করি ভয়’—————– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

o ‘রক্ত ঝরাতে পারি না তো একা, তাই লিখে যাই এ রক্ত লেখা’————————- কাজী নজরুলর ইসলাম।

o ‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ দেখিতে চাই না আর’—————– জীবনানন্দ দাশ।

o ‘বাঁশ বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ঐ’———————— যতীন্দ্রমোহন বাগচী।

o ‘ক্ষুধার রাজ্য পৃথিবী গদ্যময় পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি’———————- সুকান্ত ভট্টাচার্য।

o ‘মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন’————————– ভারতচন্দ্র।

o ‘‘প্রীতি ও প্রেমের পূন্য বাধনে যবে মিলি পরস্পরে, স্বর্গে আসিয়া দাঁড়ায় তখন আমাদেরি কুঁড়ে ঘরে।”————–শেখ ফজলল করিম।

o ‘‘জন্মেছি মাগো তোমার কোলেতে মরি যেন এই দেশে।”———————– সুফিয়া কামাল।

o “রানার ছুটেছে তাই ঝুমঝুম ঘন্টা রাজছে রাতে রানার চলেছে খবরের বোঝা হাতে”- সুকান্ত ভট্টাচার্য।”——- সুকান্ত ভট্টাচার্য।

o ‘‘আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা ‘পরে তুমি কত কষ্ট পাও রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে।” ——————– রজনীকান্ত সেন।

o ‘‘সংসারেতে ঘটিলে ক্ষতি লভিলে শুধু বঞ্চনা নিজের মনে না যেন মানি ক্ষয়”- —————–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

o ‘‘মহাজ্ঞানী মহাজন, যে পথে ক’রে গমন হয়েছেন প্রাতঃস্মরনীয়।”————————হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।

o ‘‘সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে।”————————কামিনী রায়।

o “মুক্ত করো ভয়/ আপনা মাঝে শক্তি ধরো নিজেরে করো জয়।/ সংকোচের বিহ্বলতা নিজের অপমান/সংকোচের কল্পনাতে হয়ো না ম্রিয়মাণ/দুর্বলেরে রক্ষা করো দুর্জনেরে হানো/নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।”———————–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

o ‘‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয় হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে।”—— জীবনানন্দ দাশ।

o ‘‘হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছে পৃথিবীর পথে সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীদের অন্ধকারে মালয় সাগরে”————— জীবনানন্দ দাশ।

o ‘‘সব পাখি ঘরে আসে সব নদী ফুরায় এ জীবনের সব লেন দেন; থাকে শুধু অন্ধকার”—————- জীবনানন্দ দাশ।

o ‘‘আমি যদি হতাম বনহংস বনহংসী হতে যদি তুমি”——————— জীবনানন্দ দাশ।

o ‘শোনা গেল লাশ কাটা ঘরে নিয়ে গেছে তারে; কাল রাতে ফাণ্ডুন রাতের চাঁদ মরিবার হলো তার সাধ”————– জীবনানন্দ দাশ।

o ‘‘সুরঞ্জনা, ঐখানে যেয়ো না তুমি বোলো নাকো কথা ওই যুবকের সাথে,”—————- জীবনানন্দ দাশ।

o ‘‘হে সূর্য! শীতের সূর্য! হিমশীতল সুদীর্ঘ রাত তোমার প্রতীক্ষায় আমরা থাকি,”—————– সুকান্ত ভট্টাচার্য।

o ‘অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি, জন্মেই দেখি ক্ষুদ্ধ স্বদেশ ভূমি।’ ———————-সুকান্ত ভট্টাচার্য।

o ‘হিমালয় থেকে সুন্দরবন, হঠাৎ বাংলাদেশ কেঁপে কেঁপে ওঠে পদ্মার উচ্ছাসে,”————- – সুকান্ত ভট্টাচার্য।

o ‘হে মহা জীবন, আর এ কাব্য নয়, এবার কঠিন, কঠোর গদ্য আনো’ ——————–সুকান্ত ভট্টাচার্য।

o ‘‘কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কাটলো, কেউ কথা রাখে নি” —————সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।

o ‘‘আজি হতে শত বর্ষে পরে কে তুমি পড়িছ, বসি আমার কবিতাটিখানি কৌতূহল ভরে,”——- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

o ‘‘আজি হ’তে শত বর্ষে আগে, কে কবি, স্মরণ তুমি করেছিলে আমাদের শত অনুরাগে’ – —–কাজী নজরুল ইসলাম।

o ‘‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি, আমি আমার পূর্ব পুরুষের কথা বলছি” —-আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ।

o ‘ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই, ছোটো এ তরী, আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।’—— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

o ‘‘জন্মই আমার আজন্ম পাপ, মাতৃজরায়ু থেকে নেমেই জেনেছি আমি”——- দাউদ হায়দার।

o ‘মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা।’——অতুল প্রসাদ সেন।

o ‘স্মৃতির মিনার ভেঙ্গেছে তোমার? ভয়কি কি বন্ধু, আমরা এখনো’ —–আলাউদ্দিন আল আজাদ।

o ‘‘আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই, আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি,”——- রুদ্র মোঃ শহীদুল্লাহ।

o ‘‘আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা, আমি বাঁধি তার ঘর, আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।”—— জসীম উদ্দিন।

o ‘‘যে শিশু ভুমিষ্ঠ হল আজ রাত্রে তার মুখে খবর পেলুমঃ সে পেয়েছে ছাড়পত্র এক,”——- সুকান্ত ভট্টাচার্য।

o ‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা সকিনা বিবির কপালে ভাঙলো, সিথির সিদুঁর মুছে গেল হরিদাসীর”——- শামসুর রাহমান।

o ‘‘জনতার সংগ্রাম চলবেই, আমাদের সংগ্রাম চলবেই।” হতমানে অপমানে নয়, সুখ সম্মানে। ———সিকান্দার আবু জাফর।

o ‘ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবীরের রাগে অমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে।”——– জসীম উদ্দিন।

o ‘সই, কেমনে ধরিব হিয়া আমার বধুয়া আন বাড়ি যায় আমার আঙিনা দিয়া।’—– চন্ডিদাস।

o ‘রূপলাগি অখিঁ ঝুরে মন ভোর প্রতি অঙ্গ লাগি কান্দে প্রতি অঙ্গ মোর।’ ——–চন্ডিদাস।

o ‘‘হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন তা সবে, (অবোধ আমি) অবহেলা করি, পর ধন লোভে মত্ত করিনু ভ্রমন” মধুসূদন দত্ত।

o “মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ’ ———- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

o “এতই যদি দ্বিধা তবে জন্মেছিলে কেন?”–———- নির্মলেন্দু গুণ।

o  হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে, –——- জীবনান্দ দাশ।

o “বাতাসে লাশের গন্ধ ভাসে” – ———–রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ্।

o ”তুমি যাবে ভাই? যাবে মোর সাথে,/ আমাদের ছোট গাঁয় ? গাছের ছায়ায় লতায় পাতায়/ উদাসী বনের বায় ?” —- জসীমউদ্দীন।

o  সাহিত্য জাতির দর্পন স্বরূপ——প্রমথ চৌধুরী।

o সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত——প্রমথ চৌধুরী।

o  শিক্ষার ‘স্ট্যান্ডার্ড’ মানে জ্ঞানের ‘স্ট্যান্ডার্ড’, মিডিয়ামের ‘স্ট্যান্ডার্ড’ নয়।——আবুল মনসুর আহমদ।

o বিদেশি ভাষা শিখিব মাতৃভাষায় শিক্ষিত হইবার পর, আগে নয়।——আবুল মনসুর আহমদ।

o  ‘‘এ দুর্ভাগা দেশ হতে হে মঙ্গলময় /দূর করে দাও তুমি সর্ব তুচ্ছ ভয়-/ লোক ভয়, রাজভয়, মৃত্যু ভয় আর/দীনপ্রাণ দুর্বলের এ পাষাণভার।”——-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

o রাজনীতিবিদদের কামড়াকামড়ির দায় রাজনীতির নয়,বরং বুর্জোয়া কাঠামোর নড়বড়ে গঠনই রাষ্ট্রের বারোটা বাজিয়ে দেয় । (সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু)—আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।

o ”কত বড়ো আমি’ কহে নকল হীরাটি। তাই তো সন্দেহ করি নহ ঠিক খাঁটি॥ ” -–——- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

o মনেরে আজ কহযে, ভালমন্দ যাহাই আসুক, সত্যেরে লও সহজে। –——- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (বোঝাপড়া-কবিতা)।

o ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি’ –——- মাহবুব উল আলম চৌধুরী।

o ‘মোদের গরব, মোদের আশা, আ’-মরি বাংলা ভাষা’’ কবিতাংশটির রচয়িতা কে? –——- অতুলপ্রসাদ সেন।

o ‘তুমি অধম, তাই বলে আমি উত্তম না হব কেন?’ এই প্রবাদটির রচয়িতা কে? –——-  বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

o কোথায় স্বর্গ? কোথায় নরক?/ কে বলে তা বহুদূর?/মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, / মানুষেতে সুরাসুর। পংক্তিটির রচয়িতা কে? –——- শেখ ফজলুল করিম।

o ‘আমার ভাইয়েরর রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রম্নয়ারি’—গানটির সুরকার কে? –——-  আলতাফ মাহমুদ।

o ‘পথিক? তুমি পথ হারাইয়াছ?’—উদ্ধৃতাংশের ‘পথিক’ কে? –——-  নবকুমার।

o স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়’ – চরণটি কার রচনা? –——- রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়।

o কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল যে সে মরে নাই।-  এ বাক্য যে গল্পে রয়েছে তার নাম কি? –——- জীবিত ও মৃত।

o ফুল ফুটুক বা নাই ফুটুক আজ বসমত্ম-এই স্মরণীয় চরণটি কে লিখেছেন? –——-  সুভাষ মুখোপাধ্যায়।

o “কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে, দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? -এটি কার রচনা? –——-  কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।

o “যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি, আশুগৃহে তার, দেখিবে না আর, নিশিথে প্রদীপ বাঁতি।”-এটি কার লেখা? –——-  কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।

o “কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ?”-কার লেখা? –——-  কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।

o “জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।”- এই উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লিখা হতো? –——- শিখা পত্রিকার।

o “সুরঞ্জনা ওইখানে যেয়ো নাকো তুমি।”-কোন কবি এ কথা বলেছিলেন? –——- জীবনানন্দ দাশ।

o “আমাদের ছোট গ্রাম মায়ের সমান আলো দিয়ে বায়ু দিয়ে বাঁচাইছে প্রাণ।”-কোন কবির রচনা? –——- বন্দে আলী মিয়া।

o “এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার ঊধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার নিচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি।” -এর রচয়িতা কে? –——- মাহবুব আলম চৌধুরী।

Add Comment

Required fields are marked *. Your email address will not be published.

9 − six =