পদ্মা সেতু

পদ্মা সেতু সম্পর্কে এক নজরে সব তথ্য । যা বিসিএস সহ যেকোন চাকরির পরীক্ষার রিটেনে কাজে দিবে ।

★★★ পদ্মার বুকে স্বপ্নের সেতু :
বিশ্বের উত্তাল নদীগুলোর মধ্যে পদ্মা অন্যতম। পানিপ্রবাহের দিক থেকে দক্ষিণ আমেরিকার আমাজনের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী পদ্মা। এ ধরনের খরস্রোতা নদীতে এর আগে সেতু নির্মাণ হয়নি। পানিপ্রবাহের দিক থেকে পদ্মার প্রবাহ বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয়। নদীর তলদেশে ব্রিজের যে কাজ হবে সেখানে পদ্মার পানিপ্রবাহ আমাজন নদীর পরেই। এই হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পানিপ্রবাহের মধ্যে নির্মিত হচ্ছে পদ্মা সেতু। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো একটি স্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া সাহসী কাজ। পদ্মা বহুমুখী সেতু ‘বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার মর্যাদা পাবে’।
★ পদ্মায় প্রতি সেকেন্ডে এক লাখ ৪০ হাজার কিউবিক মিটার পানি প্রবাহিত হয়। এমন একটি নদীর উপর সেতু নির্মাণ খুব চ্যালেঞ্জিং কাজ।
প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৬ দশমিক ১৫ কি:মি এর দ্বিতল সেতুতে উপরের তলায় চার লেনের সড়ক এবং নিচের তলায় ট্রেন লাইন থাকবে। নির্মাণ শেষে ২০১৮ সালের শেষ দিকে গাড়ি চলবে পদ্মার বুকে।
★ পদ্মা সেতু ফাউন্ডেশন ও টেকনিক্যাল দিক বিবেচনায় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেতু হতে যাচ্ছে। কাজটা খুবই কঠিন। এই কাজ সফলভাবে বাস্তবায়নের পথে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পদ্মা সেতু প্রকল্প বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে সবচেয়ে বড় প্রকল্প। অবকাঠামোগত দিক দিয়েও বৃহত্তম প্রকল্প এটি। ২০০৭ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) বৈঠকে ১০ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি বাজেটে প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। এরপর দুই দফা সংশোধন হয়ে প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকার বাজেটে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। এই কাজে চ্যালেঞ্জের শেষ নেই। যে সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কাজ শুরু করা হয়েছিল, এখন তার সঙ্গে নতুন নতুন বিষয়ও যোগ হচ্ছে। প্রকল্পটি সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাওয়ায় কঠিন হলেও সুন্দরভাবে কাজ চলছে।
যমুনা নদীর উপর হওয়া ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের বঙ্গবন্ধু সেতু এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সেতু। প্রকল্প পরিকল্পনা ঠিকমতো বাস্তবায়ন হলে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ পাবে নতুন গর্বের স্থাপনা পদ্মা বহুমুখী সেতু।
★ প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকা ব্যায়ের এই সেতু দিয়ে ঢাকাসহ দেশের পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি সড়কপথে যুক্ত হবে দক্ষিণ জনপদের ২১ জেলা।
★ এই সেতু হলে দেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধি ১.২ শতাংশ বাড়বে, প্রতিবছর ০.৮৪ শতাংশ হারে দারিদ্র্য বিমোচন হবে।
★পদ্মা সেতুকে বাংলাদেশে অনেকে ‘স্বপ্নের সেতু’ বলে বর্ণনা করছেন। বাংলাদেশের দক্ষিনাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন।
পদ্মা সেতু বাস্তবায়িত হলে খুলনা, বরিশাল সহ পুরো দক্ষিনবঙ্গের সাথে ঢাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে । মূল সেতুটি দোতলা হবে । পদ্মা নদীর উপর নির্মিত পদ্মা বহুমুখী সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন আর নিচে দিয়ে ট্রেন চলাচল করবে। এশিয়ান হাইওয়ের পথ হিসেবেও সেতুটি ব্যবহৃত হবে। লৌহজং, মুন্সিগঞ্জ এর সাথে শরিয়তপুর ও মাদারীপুর যুক্ত হবে, ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সাথে উত্তর-পূর্ব অংশের সংযোগ ঘটবে।
★ পদ্মার ওপর এরকম সেতু অনেকের কল্পনারও বাইরে ছিল। কিন্তু এটি নির্মাণের কাজটি সহজ হবে না। বিশ্বের সবচেয়ে বিশাল এবং প্রমত্তা নদীগুলোর একটি পদ্মা। এর দুই তীরকে সেতু দিয়ে বাঁধতে যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে প্রকৌশলীদের :
১) পদ্মা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বিশাল এবং প্রমত্তা নদীগুলোর একটি। এই নদীর যে জায়গায় সেতুটি নির্মিত হবে, সেখানে নদী প্রায় ৬ কি:মি প্রশস্ত। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ৬.১৫ কি:মি। এটি হবে দক্ষিণ এশিয়ার কোন নদীর ওপর নির্মিত দীর্ঘতম সেতু।
২) পদ্মা সেতু শুধু মাত্র সড়ক সেতু নয়। একই সঙ্গে এই সেতুর ওপর দিয়ে যাবে ট্রেন। এছাড়াও যাবে গ্যাস পাইপ লাইন এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন। দুই তলা ব্রীজের ওপর দিয়ে যাবে গাড়ী, আর সেতুর নীচের লেভেলে থাকবে ট্রেন লাইন।
৩) পদ্মা এক অস্থির নদী। দুই তীরে ভাঙ্গাগড়া চলে প্রতি বছর। বর্ষাকালে পদ্মা নদীতে স্রোতের বেগ এত বেশি থাকে যে, সেতুর নকশা করার সময় প্রকৌশলীদের কাছে এটি এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় । একদিকে গঙ্গা, আরেকদিকে ব্রহ্মপুত্র দক্ষিণ এশিয়ার এই দুটি বিশাল এবং দীর্ঘ নদীর অববাহিকার পানি এই পদ্মা দিয়েই বঙ্গোপসাগরে নামছে। উজান থেকে নেমে আসা এই স্রোতের ধাক্কা সামলাতে হবে ব্রীজটিকে। সেই সঙ্গে নদীর দুই তীরে নদীশাসনে প্রচুর অর্থ খরচ করতে হবে।
৪) বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পলি বহন করে এই দুই নদী। বলা যেতে পারে এই দুই নদীর পলি জমেই গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের অনেকখানি অঞ্চল। এই সেতুর নকশা করার ক্ষেত্রে এই নদী বাহিত পলির বিষয়টিকে বিবেচনায় নিতে হয়েছে প্রকৌশলীদের।
৫) পদ্মা সেতু নির্মিত হচ্ছে এমন এক অঞ্চলে যেখানে ভূমিকম্পের ঝুঁকিও আছে। এ নিয়ে সেতুর নকশা তৈরির আগে বিস্তর সমীক্ষা করা হয়েছে। কিছু সমীক্ষা করেছে বাংলাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। সেতুর নকশাটিকে এজন্যে ভূমিকম্প সহনীয় করতে হয়েছে।
৬) পদ্মা সেতুর ভিত্তির জন্য পাইলিং এর কাজ করতে হবে নদীর অনেক গভীরে। বিশ্বে কোন নদীর এতটা গভীরে গিয়ে সেতুর জন্য পাইলিং এর নজির খুব কম। প্রকৌশলীদের জন্য এটাও এক বড় চ্যালেঞ্জ।
৭) এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো প্রকল্প। খরচ হবে প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকা। বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির অভিযোগে এই প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ানোর পর বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে এটি করছে। বিদেশি সাহায্য ছাড়া নিজের খরচে এত বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের নজির বাংলাদেশে আর নেই।
★★★ বিশ্বে দীর্ঘতম সেতু হিসেবে কততম স্থান দখল করে নিয়েছে পদ্মা সেতু?
★ বঙ্গবন্ধু সেতুকে টপকে বিশ্বে দীর্ঘতম সেতু হিসেবে এগারো তম স্থান দখল করে নিয়েছে পদ্মা সেতু।
★★★ পদ্মা সেতুর সংক্ষিপ্ত বিবরণ :
★ পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ ৫টি ভাগে বিভক্ত। এরমধ্যে রয়েছে:- মূল সেতু, নদী শাসন, দু’টি লিংক রোড এবং অবকাঠামো (সার্ভিস এলাকা) নির্মাণ।এর মধ্যে মূল নির্মাণ কাজ পাইলিং ও নদীশাসন।
প্রকল্পের নামঃ পদ্মা বহুমূখী সেতু প্রকল্প।
প্রকল্পের বিভিন্ন উপাঙ্গসমূহঃ
ক) মূল সেতু
খ) নদীশাসন কাজ
গ) জাজিরা সংযোগ সড়ক ও আনুসঙ্গিক সুযোগ সুবিধা
ঘ) মাওয়া সংযোগ সড়ক ও আনুসঙ্গিক সুযোগ সুবিধা
ঙ) সার্ভিস এরিয়া-২
চ) পুনর্বাসন
ছ) পরিবেশ
জ) ভূমি অধিগ্রহণ
ঝ) সিএসসি (মূল সেতু ও নদীশাসন)
ঞ) সিএসসি (সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এরিয়া-২)
ট) ইঞ্জিনিয়ারিং সাপোর্ট এন্ড সেফটি টিম (ইএসএসটি)
★★★ মূল সেতু দৈর্ঘ্য : ৬.১৫ কি:মি:
★ ঠিকাদার : চায়না মেজর ব্রীজ ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন, চায়না।
★ চুক্তির মেয়াদ : ৪ বছর+১ বছর(রক্ষণাবেক্ষন)।
★ চুক্তি মূল্য : ১২,১৩৩.৩৯ কোটি টাকা।
★ চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ : জুন ১৭, ২০১৪।
★ কার্যাদেশ প্রদানের তারিখ : নভেম্বর ২৬, ২০১৪।
★ কাজের অগ্রগতি : যন্ত্রপাতি ও নির্মাণ সামগ্রী সাইটে আনায়ন, সেতুর test pile এবং channel dredgingসহ ঠিকাদারের আবাসন, stack yard, casting yard ইত্যাদি নির্মাণ এর কার্যক্রম চলমান আছে।
★★★ নদীশাসন কাজ দৈর্ঘ্যে : ১৪ কি:মি:
★ ঠিকাদার : সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন লিমিটেড, চায়না।
★ চুক্তির মেয়াদ : ৪ বছর+১ বছর(রক্ষণাবেক্ষন)।
★ চুক্তি মূল্য : টাকা ৮,৭০৭.৮১ কোটি।
★ চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ : নভেম্বর ১০, ২০১৪।
★ কার্যাদেশ প্রদানের তারিখ : ডিসেম্বর ৩১, ২০১৪।
★ কাজের অগ্রগতি : জমি হস্তান্তর, যন্ত্রপাতি ও নির্মাণ সামগ্রী সাইটে আনায়ন, নির্মাণ সামগ্রী ক্রয় প্রক্রিয়াকরণ ও ঠিকাদারের আবাসন, stack yard, casting yard ইত্যাদি নির্মাণ এর কার্যক্রম চলমান আছে।
★★★জাজিরা সংযোগ সড়ক ও আনুসঙ্গিক সুযোগ সুবিধা:
★ ঠিকাদার : এএমএল-এইচসিএম(জেভি)
★ চুক্তির মেয়াদ : ৩ বছর+১ বছর(রক্ষণাবেক্ষন)
★ চুক্তি মূল্য : টাকা ১০৯৭.৪০ কোটি।
★ কার্যাদেশ প্রদানের তারিখ : অক্টোবর ০৮, ২০১৩।
★★★ মাওয়া সংযোগ সড়ক ও আনুসঙ্গিক সুযোগ সুবিধা :
★ ঠিকাদার : এএমএল-এইচসিএম(জেভি)
★ চুক্তির মেয়াদ : ২.৫ বছর+১ বছর(রক্ষণাবেক্ষন)
★ চুক্তি মূল্য : টাকা ১৯৩.৪০ কোটি।
★ কার্যাদেশ প্রদানের তারিখ : জানুয়ারী ২৭, ২০১৪।
★★★ সার্ভিস এরিয়া-২:-
★ ঠিকাদার : আব্দুল মোনেম লিমিটেড।
★ চুক্তির মেয়াদ : ২.৫ বছর+১ বছর(রক্ষণাবেক্ষন)
★ চুক্তি মূল্য : টাকা ২০৮.৭১ কোটি।
★ কার্যাদেশ প্রদানের তারিখ : জানুয়ারী ১২, ২০১৪।
★★★ পুনর্বাসন :
★ ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের মাঝে জমির মোট অতিরিক্ত বদলীমূল্য প্রদান : টাকা ৫০০.৭১ কোটি টাকা (৩১/১২/২০১৪ তারিখ পর্যন্ত)।
★ মোট প্লটের সংখ্যা : ২৬৯৮টি।
★ আবাসিক প্লটের সংখ্যা : ২৬১৮টি।
★ বানিজ্যিক প্লটের সংখ্যা : ৮০টি।
★★★ পরিবেশ :
★ ২০১২ সাল থেকে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং অদ্যাবধি মোট ৫৫,১৫০টি বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে।
★★★ ভূমি অধিগ্রহণ :
★প্রকল্পের জন্য মোট ১৪০৮.৫৪ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।
★★★ সিএসসি(মূল সেতু ও নদীশাসন) :
★ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান : কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশন, দক্ষিণ কোরিয়া ও সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
★ চুক্তির মেয়াদ : ৪ বছর+১ বছর(রক্ষণাবেক্ষন)।
★ চুক্তি মূল্য : টাকা ৩৮৩.১৫ কোটি।
★ চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ : নভেম্বর ০৩, ২০১৪।
★ কাজের অগ্রগতি : মূল সেতু ও নদীশাসন এর নির্মাণ কাজ তদারকীর জন্য জনবল deployment সহ তদারকী কাজ চলমান আছে।
সিএসসি (সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এরিয়া-২):
★ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান : স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেসনস(এসডব্লিউও-ওয়েষ্ট), বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, সহযোগীতায় বিআরটিসি, বুয়েট।
★ চুক্তির মেয়াদ : ৩ বছর+১ বছর(রক্ষণাবেক্ষন)
★ চুক্তি মূল্য : টাকা ১৩৩.৪৯ কোটি।
★ কার্যাদেশ প্রদানের তারিখ : অক্টোবর ১৩, ২০১৩।
★ ইঞ্জিনিয়ারিং সাপোর্ট এন্ড সেফটি টিম (ইএসএসটি): বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
★ চুক্তির মেয়াদ : ৪ বছর+১ বছর(রক্ষণাবেক্ষন)।
★ চুক্তি মূল্য : টাকা ৭২.১৪ কোটি।
★ কার্যাদেশ প্রদানের তারিখ : অক্টোবর ১৩, ২০১৩।
★★★ একনজরে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প :
বাহক : যানবাহন, ট্রেন।
ক্রস : পদ্মা নদী।
স্থান : লৌহজং, মুন্সিগঞ্জ এর সাথে শরিয়তপুর ও মাদারীপুর।
উপাদান : কংক্রিট, স্টিল।
মূল সেতুর দৈর্ঘ্য : ৬.১৫ কি:মি
(৬,১৫০ মি/২০,১৮০ ফুট)।
প্রস্থ : ১৮.১০ মি (৫৯.৪ ফুট)।
দ্বিতীয় তলায় (আপার ডেকে) ৭২ ফুটের চার লেনের সড়ক।
রেললাইন : নিচতলায় (লোয়ার ডেকে) ডাবল গেজ।
পিলার সংখ্যা : ৪২ (নদীতে ৪০ টি)।
ভায়াডাক্ট : দুই প্রান্তে সর্বমোট ৩.১৮ কি:মি।
ভায়াডাক্ট পিলার : ৮১ টি।
পানির স্তর থেকে উচ্চতা : ৬০ ফুট।
পাইলিং গভীরতা : ৩৮৩ ফুট।
প্রতি পিলারের জন্য পাইলিং : ৬ টি।
মোট পাইলিং সংখ্যা : ২৬৪ টি।
সংযোগ সড়ক : দুই প্রান্তে ১৪ কি:মি।
প্রকল্পের মোট ব্যায় : ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
মূল সেতুতে ব্যায় : ১২ হাজার ১৩৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।
নদীশাসন ব্যায় : ৮ হাজার ৭০৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা।
অন্যান্য ব্যায় : ৭ হাজার ৯৫২ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
নির্মানকারি প্রতিষ্ঠান : চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিঃ
জনবল : প্রায় ৪ হাজার।
নির্মান কাজ শুরু : ডিসেম্বর ১২, ২০১৫
নির্মানকাজ শেষ : ২০১৮ (সম্ভাব্য)।
উদ্ভোধন : ডিসেম্বর, ২০১৮ (সম্ভাব্য)।
স্থানাঙ্ক : ২৩°২৫′২১″ উত্তর ৯০°১৮′৩৫″ পূর্ব।

সৌজন্যে: Ariful Islam

Add Comment

Required fields are marked *. Your email address will not be published.

twelve − 11 =